CISC (Complex Instruction Set Computer) কী? চলুন একদম সহজ ভাষায় গল্পের মাধ্যমে বুঝি!
হ্যালো বন্ধুরা! আজকে আমরা কম্পিউটারের ভেতরের একটা খুব মজার এবং জাদুকরী বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। বিষয়টি শুনতে একটু কঠিন মনে হতে পারে— "CISC"। কিন্তু বিশ্বাস করুন, পুরো পোস্টটি পড়ার পর মনে হবে, "আরে! এটা তো এতো সোজা!"
আজকের এই পোস্টে আমরা কোনো কঠিন শব্দ ব্যবহার না করে, গল্পের মাধ্যমে জানব CISC কী, এটি কীভাবে কাজ করে, কেন তৈরি হয়েছিল এবং বর্তমান সময়ে এর অবস্থা কী। চলুন তাহলে শুরু করা যাক!
গল্পের মাধ্যমে শুরু করা যাক!
ধরুন, আপনার কাছে একটি অত্যাধুনিক জাদুকরী রোবট আছে। এই রোবটটি আপনার সব কথা শোনে। একদিন আপনার খুব বিরিয়ানি খেতে ইচ্ছে হলো। এখন আপনি রোবটটিকে দুইভাবে নির্দেশ বা কমান্ড দিতে পারেন:
- প্রথম উপায় (RISC পদ্ধতি): আপনি রোবটকে বলবেন, "প্রথমে বাজারে যাও। এরপর চাল আর মাংস কেনো। তারপর চুলা জ্বালাও। হাঁড়িতে তেল দাও..." এভাবে ১০০টি আলাদা আলাদা ছোট ছোট নির্দেশ দিতে হবে।
- দ্বিতীয় উপায় (CISC পদ্ধতি): আপনি রোবটকে শুধু একটি কথা বলবেন— "আমার জন্য এক প্লেট বিরিয়ানি বানাও!" ব্যস! রোবটের ভেতরে আগে থেকেই সেট করা আছে যে বিরিয়ানি বানাতে হলে কী কী করতে হয়। সে নিজেই সব কাজ ধাপে ধাপে করে আপনাকে বিরিয়ানি এনে দেবে।
এই যে দ্বিতীয় উপায়টি, যেখানে আপনি মাত্র একটি নির্দেশ দিলেন এবং রোবটটি সেই কঠিন বা 'কমপ্লেক্স' কাজটি একাই বুঝে করে ফেলল— কম্পিউটারের জগতে এই ধারণাকেই বলে CISC বা কমপ্লেক্স ইন্সট্রাকশন সেট কম্পিউটার!
CISC-এর পূর্ণরূপ এবং আসল মানে কী?
CISC-এর পূর্ণরূপ হলো: Complex Instruction Set Computer। চলুন শব্দগুলোকে ভেঙে ভেঙে বুঝি:
- Complex (কমপ্লেক্স): এর মানে হলো জটিল বা বড় কিছু।
- Instruction (ইন্সট্রাকশন): এর মানে হলো নির্দেশ বা আদেশ। কম্পিউটারকে আমরা যে কাজ করতে বলি।
- Set (সেট): অনেকগুলো নির্দেশের একটি তালিকা বা ভাণ্ডার।
- Computer (কম্পিউটার): আমাদের প্রিয় গণনাকারী যন্ত্র।
অর্থাৎ, যে কম্পিউটারের প্রসেসরের ভেতরে বড় বড় এবং জটিল সব কাজ করার জন্য আগে থেকেই অনেকগুলো শক্তিশালী নির্দেশ বা কমান্ড সাজিয়ে রাখা থাকে, তাকেই CISC বলা হয়।
ইন্সট্রাকশন সেট (Instruction Set) জিনিসটা কী?
সহজ কথায়, ইন্সট্রাকশন সেট হলো কম্পিউটারের "শব্দভাণ্ডার" বা Vocabulary। আপনি যদি ফরাসি ভাষায় কথা বলেন, কিন্তু আপনার বন্ধু ফরাসি না বোঝে, তাহলে সে আপনার কথা শুনবে না। ঠিক তেমনি, প্রসেসরকে কাজ করাতে হলে তাকে তার নিজের ভাষায় নির্দেশ দিতে হয়। প্রসেসর যে নির্দেশগুলো বুঝতে পারে, তার তালিকাকেই "ইন্সট্রাকশন সেট" বলে। CISC প্রসেসরের শব্দভাণ্ডার অনেক বিশাল হয়। সেখানে ছোট কাজ থেকে শুরু করে অনেক বড় বড় গাণিতিক হিসাব করার নির্দেশও দেওয়া থাকে।
CISC কীভাবে কাজ করে? (আরেকটি চমৎকার উদাহরণ)
ধরুন, কম্পিউটারের মেমোরিতে (RAM) দুটি সংখ্যা রাখা আছে: ৫ এবং ১০। আপনি চান এই দুটি সংখ্যা গুণ করে ফলাফল মেমোরিতেই রাখতে।
CISC প্রসেসরকে আপনি শুধু একটি নির্দেশ দেবেন: "MULT A, B" (A এবং B গুণ করো)।
এই একটি নির্দেশ পেয়ে প্রসেসর নিজে নিজেই নিচের কাজগুলো করে ফেলবে:
- প্রথমে সে মেমোরি থেকে ৫ খুঁজবে।
- তারপর সে মেমোরি থেকে ১০ খুঁজবে।
- ভেতরে ভেতরে সংখ্যা দুটোকে গুণ করবে (৫ x ১০ = ৫০)।
- ফলাফল ৫০-কে আবার মেমোরিতে সঠিক জায়গায় সেভ করে রাখবে।
দেখলেন তো? কাজ অনেকগুলো, কিন্তু কমান্ড বা নির্দেশ মাত্র একটি! এটাই হলো CISC এর আসল জাদু।
ইতিহাসের পাতা থেকে: কেন তৈরি হয়েছিল CISC?
এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, "মানুষ কেন এত জটিল প্রসেসর বানাতে গেল?" এর উত্তর লুকিয়ে আছে কম্পিউটারের ইতিহাসে!
"১৯৭০ এবং ১৯৮০-এর দশকে কম্পিউটারের মেমোরি বা RAM-এর দাম ছিল আকাশছোঁয়া! তখনকার দিনে ১ মেগাবাইট মেমোরি কিনতেই লাখ লাখ টাকা খরচ হতো।"
যেহেতু মেমোরির জায়গা খুব কম ছিল, তাই প্রোগ্রামাররা চাইতেন এমনভাবে কোড লিখতে, যাতে কম লাইনে অনেক বেশি কাজ করা যায়। প্রোগ্রাম ছোট হলে মেমোরিতে জায়গা কম লাগবে। এই সমস্যা সমাধানের জন্যই ইঞ্জিনিয়াররা এমন প্রসেসর বানালেন, যার হার্ডওয়্যার হবে অনেক বুদ্ধিমান। আপনি তাকে ছোট একটা কোড দেবেন, আর সে ভেতরে বসে বিশাল সব কাজ করে ফেলবে। হার্ডওয়্যারকে কঠিন করে সফটওয়্যারকে সহজ করা— এই চিন্তা থেকেই জন্ম নেয় CISC আর্কিটেকচার!
CISC এর সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলো কী কী?
- কম মেমোরির ব্যবহার: যেহেতু একটি লাইনের কোড দিয়ে অনেক কাজ করা যায়, তাই মেমোরিতে প্রোগ্রামের সাইজ ছোট হয়।
- প্রোগ্রামারদের জন্য সহজ: প্রোগ্রামারদের অনেক বেশি লাইন কোড লিখতে হয় না। প্রসেসরের ভেতরেই অনেক রেডিমেড নির্দেশ থাকে।
- কম্পাইলারের কাজ কম: আমরা যে ভাষায় কোড লিখি (যেমন C বা Python), সেগুলোকে কম্পিউটারের ভাষায় রূপান্তর করে 'কম্পাইলার'। CISC আর্কিটেকচারে কম্পাইলারের কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়।
CISC এর অসুবিধা বা সমস্যাগুলো কী?
পৃথিবীর কোনো কিছুই নিখুঁত নয়। CISC-এরও কিছু সমস্যা আছে:
- জটিল হার্ডওয়্যার: এতসব জটিল কাজ প্রসেসরের ভেতরে করার জন্য লাখ লাখ ট্রানজিস্টর দরকার হয়। ফলে প্রসেসর বানানো খুব কঠিন এবং ব্যয়বহুল হয়ে যায়।
- অতিরিক্ত গরম হওয়া: হার্ডওয়্যার জটিল হওয়ায় এটি অনেক বেশি বিদ্যুৎ টানে এবং খুব দ্রুত গরম হয়ে যায়।
- সময়ের অপচয়: এর নির্দেশগুলো এতই বড় হয় যে, প্রসেসরের সেগুলো পড়ে বুঝতে মাঝে মাঝে বেশি সময় লেগে যায়।
CISC বনাম RISC: কোনটা কেমন?
CISC-এর ঠিক উল্টো একটা জিনিস আছে, যার নাম RISC (Reduced Instruction Set Computer)[[1](https://www.google.com/url?sa=E&q=https%3A%2F%2Fvertexaisearch.cloud.google.com%2Fgrounding-api-redirect%2FAUZIYQFjpceqpH7jLl5q-PNqXP85VknCx_4oxQnfM0lhf_7axiTq-glC1s3Q4ha2s_kNme2mlvmhaosXqz23_NkPIRHDiI9jzTP5QmjgzJr5WDKRG6Ly4i9XZWiKd48ajQrcS2leC7-ANTtM8aGpbRxAXWpGS671beQngsQ0vXj8umst9z46z19FLUha6X2FGwO28nChsLHbVqJXcfu8np_jWtQIRrjFwPejm5zM8bwyNXDQ)]।
CISC হলো একজন "মাস্টার শেফ", যে নিজে একাই বাজার করা থেকে রান্না করা সব পারে (কিন্তু তাকে তৈরি করা কঠিন)। আর RISC হলো "গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির শ্রমিকের মতো"— যেখানে একজন শুধু বোতাম লাগায়, আরেকজন শুধু কলার সেলাই করে। সবাই মিলে খুব দ্রুত কাজ করে। বর্তমানে আমাদের স্মার্টফোনে যে প্রসেসর থাকে (যেমন ARM প্রসেসর), সেগুলো মূলত RISC আর্কিটেকচার ব্যবহার করে[[1](https://www.google.com/url?sa=E&q=https%3A%2F%2Fvertexaisearch.cloud.google.com%2Fgrounding-api-redirect%2FAUZIYQFjpceqpH7jLl5q-PNqXP85VknCx_4oxQnfM0lhf_7axiTq-glC1s3Q4ha2s_kNme2mlvmhaosXqz23_NkPIRHDiI9jzTP5QmjgzJr5WDKRG6Ly4i9XZWiKd48ajQrcS2leC7-ANTtM8aGpbRxAXWpGS671beQngsQ0vXj8umst9z46z19FLUha6X2FGwO28nChsLHbVqJXcfu8np_jWtQIRrjFwPejm5zM8bwyNXDQ)]!
বর্তমান সময়ের আপডেট (২০২৬ সালের তথ্য): CISC কি হারিয়ে যাচ্ছে?
আপনারা হয়তো ভাবছেন, এখন তো মেমোরি বা RAM-এর দাম অনেক কম, তাহলে কি CISC হারিয়ে গেছে? একদমই না!
১. হাইব্রিড প্রসেসরের যুগ: বর্তমানে ২০২৬ সালে আমরা কম্পিউটারে যে Intel (যেমন Intel Core Ultra Series 3) এবং AMD (Ryzen Series) প্রসেসরগুলো ব্যবহার করি, সেগুলো মূলত CISC (যাকে x86 আর্কিটেকচার বলা হয়)[[1](https://www.google.com/url?sa=E&q=https%3A%2F%2Fvertexaisearch.cloud.google.com%2Fgrounding-api-redirect%2FAUZIYQFjpceqpH7jLl5q-PNqXP85VknCx_4oxQnfM0lhf_7axiTq-glC1s3Q4ha2s_kNme2mlvmhaosXqz23_NkPIRHDiI9jzTP5QmjgzJr5WDKRG6Ly4i9XZWiKd48ajQrcS2leC7-ANTtM8aGpbRxAXWpGS671beQngsQ0vXj8umst9z46z19FLUha6X2FGwO28nChsLHbVqJXcfu8np_jWtQIRrjFwPejm5zM8bwyNXDQ)][[2](https://www.google.com/url?sa=E&q=https%3A%2F%2Fvertexaisearch.cloud.google.com%2Fgrounding-api-redirect%2FAUZIYQHIJAXL0LYkFGIx5HFUfoxBqeZNs3x_CsKxyine_NMjqXy067dv66G0cHjpbotzd5_-wqTNp1Do7pv7hSw2oKNZSyJz5saXV-hksK4e9TP_taOdLm71x2fAFHud5C0GB8v7W4deviY_TT_etn5EXIIaIXbSHv5lC_BakihsEpNIODcruRD6eMxrdBVUDUpHFMyoEafnCSOu8AOc4LE_Eht3up2ZHRYnaW6W_UFbb99r)]। তবে আধুনিক প্রযুক্তি এদেরকে অনেক চালাক করে তুলেছে। এই প্রসেসরগুলো বাইরে থেকে CISC-এর মতো বড় নির্দেশ নেয়, কিন্তু ভেতরে প্রসেসরের ইঞ্জিন সেই বড় নির্দেশটিকে ছোট ছোট সহজ অংশে (যাকে Micro-ops বলে) ভেঙে ফেলে RISC-এর মতো দ্রুত কাজ করে[[1](https://www.google.com/url?sa=E&q=https%3A%2F%2Fvertexaisearch.cloud.google.com%2Fgrounding-api-redirect%2FAUZIYQFjpceqpH7jLl5q-PNqXP85VknCx_4oxQnfM0lhf_7axiTq-glC1s3Q4ha2s_kNme2mlvmhaosXqz23_NkPIRHDiI9jzTP5QmjgzJr5WDKRG6Ly4i9XZWiKd48ajQrcS2leC7-ANTtM8aGpbRxAXWpGS671beQngsQ0vXj8umst9z46z19FLUha6X2FGwO28nChsLHbVqJXcfu8np_jWtQIRrjFwPejm5zM8bwyNXDQ)]। একে বলা যায় দুইয়ের এক অপূর্ব মিলন!
২. "x86-S" এর আগমন: অনেক পুরোনো দিনের ১৬-বিট বা ৩২-বিটের প্রোগ্রামগুলো চালানোর জন্য CISC প্রসেসরের ভেতরে আজও অনেক ফালতু জিনিস রাখতে হতো। কিন্তু আধুনিক সময়ে ইনটেল "x86-S" নামের একটি নতুন 64-bit Only আর্কিটেকচার নিয়ে কাজ করছে, যা প্রসেসর থেকে এই পুরোনো জিনিসগুলো ছেঁটে ফেলবে[[3](https://www.google.com/url?sa=E&q=https%3A%2F%2Fvertexaisearch.cloud.google.com%2Fgrounding-api-redirect%2FAUZIYQHfsGV8LBxuYPEbbaNxgP_5hCRXK_zlryJByuWek5P9EFXB_GX_CoFsOozVXZ6-nJS9Woz_Oqxe33dgHOfJax_WsygZLxOqK6vBPqxGdo0DGn2D2RvD2h0hrveqz2ZDNLTSMy6Kv_xEN3RYN-hICdyytkQWssV0mvG6FuK5KMHx9ZtAKSK_7DYAoZQynPdBoGKE3zlFSXd0-_KftnEWtXKU3q0%3D)]। এতে করে ভবিষ্যতের CISC প্রসেসরগুলো হবে আরও ছিমছাম, দ্রুত এবং শক্তিশালী[[4](https://www.google.com/url?sa=E&q=https%3A%2F%2Fvertexaisearch.cloud.google.com%2Fgrounding-api-redirect%2FAUZIYQFOcn-oKT_T2KYggYPV8A1xF5Lhy1tq8Ldxce_Zd2BFbF0mlMhFHZkWC_MoYidsa0gGCFe1bQqnOwqR2mNeRWkIpQLPIykjKdTTeL7d1K8ZRoct1ftl6Jc8b9nGG-Rc47itW2gsPu4TeGGiXiNyTYXp)]!
৩. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI): আজকের দিনে এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাজের জন্য প্রসেসরে আলাদা NPU (Neural Processing Unit) যোগ করা হচ্ছে[[5](https://www.google.com/url?sa=E&q=https%3A%2F%2Fvertexaisearch.cloud.google.com%2Fgrounding-api-redirect%2FAUZIYQFOnANr9ij1Vjnp6AHInKtx_HsYxsT7FlYViZ3ZBII64tVR1bFJYDhv01FZwkffzVAqCxxK8xxYXfVLTMHNmQiyzk6okazgem4YgQKhav1ve505lt41eDJNO-vopy0PXyLFtsPybQ_mG5l0kcJCi_5iOmehlJ15qfQQMZGYw47bo1GM)]। কিন্তু মেইন প্রসেসিংয়ের জন্য এই আধুনিক হাইব্রিড CISC প্রসেসরগুলো আজও ডেটাসেন্টার এবং ব্যক্তিগত কম্পিউটারে অত্যন্ত দাপটের সাথে রাজত্ব করছে[[6](https://www.google.com/url?sa=E&q=https%3A%2F%2Fvertexaisearch.cloud.google.com%2Fgrounding-api-redirect%2FAUZIYQHBbldzEgWs-S__GHWZ711hcPSOLR87Fuc4rStKEW2AS1auRYXfgxBJ0rxd8egJxZu-N3mj3yqhTP9hbO8P2XrI-HVz3Kh12r3eaQDeSr3yBdzjD4MC70fnMPMqba3ZV90mJ9CsxwuFCJgVb8C_f-KW2yTe93jUHCbxSFRKRD5Nd6A%3D)]!
শেষ কথা
আশা করি ছোট্ট বন্ধুরা থেকে শুরু করে বড়রা— সবাই আজকের এই গল্পের মাধ্যমে বুঝতে পেরেছেন যে CISC আসলে কী! এটি হলো কম্পিউটারের এমন এক জাদুকরী পদ্ধতি, যেখানে সামান্য আদেশে বড় বড় কাজ হয়ে যায়। সেই ১৯৭০ দশক থেকে শুরু করে ২০২৬ সাল পর্যন্ত, এটি যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে পরিবর্তন করে আজও আমাদের কম্পিউটারের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
ভালো থাকবেন, আর প্রযুক্তির এই মজার দুনিয়ায় নতুন কিছু শিখতে এভাবেই যুক্ত থাকবেন! ধন্যবাদ!